শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন

এমপি বকুলের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ-উচ্চ আদালতে যাবেন বাদী

admin
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৩ বার পঠিত

 

ইসাহাক আলী, নাটোর, ৩১ আগস্ট-
দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ ও গঠনতন্ত্র লংঘন করে নাটোরের লালপুর-বাগাতিপাড়ার সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুলের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন নাটোরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালত। তবে এর সুবিচারের জন্য উচ্চ আদালতের স্মরনাপন্ন হবেন জানিয়েছেন মামলার বাদী লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আফতাফ হোসেন ঝুলফু।
গতকাল ২৯ আগস্ট লালপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক জাবেদ আকতার এ আদেশ দেন। এছাড়া মামলায় একজন সাংসদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘গঠনতন্ত্র বিরোধী’ ও এতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আদালত মন্তব্য করেছেন এমনটা জানান মামলার আসামী পক্ষের আইনজীবি।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রæয়ারী উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর আওয়ামীলীগকে অবগত না করে গঠনতন্ত্রবিরোধী উপায়ে সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল এমপি কমিটি গঠন করছেন এমন অভিযোগ এনে এর প্রতিকার চেয়ে নাটোরের সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন লালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু। ওই মামলায় সাংসদ বকুল ছাড়াও আরও ৬ নেতাকে আসামী করা হয়।
এমপি সাংসদ শহিদুল ইসলাম বকুলের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত ২৬ আগস্ট বাদী পক্ষের দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯৮০ এর আদেশ ৩৯ এর ১ ও ২ নং বিধি মোতাবেক আনীত আবেদনসহ দায়েরকৃত মামলাটি উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানি হয়। পরে ২৯ আগস্ট মামলাটি খারিজের আদেশ দেন আদালত। তিনি আরো জানান, বিবাদীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গঠণতন্ত্র সম্মত হয়নি বিধায় মামলাটি খারিজ করা হয়েছে। একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কারনে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে, এমন মন্তব্যও করেছেন আদালত।
এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মামলাটি করা হয়েছিল। সেই সাথে লালপুরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে অচল রাখার অভিপ্রায়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইউনিয়ন পর্যায়ের সম্মেলন বাঁধাগ্রস্ত করতেই মামলা করে বাদী। রাজনীতিকে আদালত পর্যন্ত নেয়ার জন্য বাদীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।
এদিকে মামলার বাদী ও লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আফতাফ হোসেন ঝুলফু বলেন, দলীয় শৃংখলা না মেনে গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করে আমাদের সাংসদ বিভিন্ন কমিটি করছিলেন তা রোধ করতে আমরা দলীয় নেতৃবৃন্দকে জানাই। দলীয় ভাবে তাকে চিঠিও দেয়া হয় তারপরও তিনি তা না মেনে একই কর্মকান্ড অব্যাহত রাখায় আমরা আদালতের স্মরনাপন্ন হই। আদালত রাজনৈতিক বিষয় মনে করে হয়তো এটাকে গ্রহণ করেননি। তবে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এর সুবিচারের জন্য উচ্চ আদালতের স্মরনাপন্ন হবো। এছাড়া দলের শৃংখলা ভঙ্গ করেছেন তিনি , তিনিই আবার কিভাবে আমাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। তিনি আরো জানান, তারাই দলের সামষ্টিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টি কেন্দ্রীয় সংগঠনকে জানাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..