শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

‘কোটি কোটি টাকা লুট করতেই ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে’

admin@ns
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার ১৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩৩৮ বার পঠিত

রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করতে জনগণের ঘাড়ে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, শুধু ইভিএমের কারণেই সাড়ে চার বছরের ব্যবধানে খরচ হয়েছে প্রায় ৬৯ কোটি টাকা। ব্যালটের চেয়ে ইভিএমে ভোট গ্রহণে প্রশিক্ষণ খাতেই অন্তত আটগুণ বেশি খরচ দেখানো হচ্ছে।

রবিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, এনআইডির সাবেক ডিজি বর্তমানে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এনআইডির বর্তমান ডিজির পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করতে জনগণের ঘাড়ে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আবারও আহ্বান জানাচ্ছি ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচনের পথ থেকে এখনই সরে আসুন। অন্যথায় পদত্যাগ করুন। তা না হলে আপনাদের মাস্টারপ্ল্যানের নির্বাচনের বিরুদ্ধে জনগণ সমুচিত জবাব দেবে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র আড়াই হাজারের মতো। ভোটকক্ষ প্রায় ১৪ হাজার। প্রতিটি কক্ষে একটি করে ইভিএম ব্যবহার করতে চায়। সেই হিসাবে ১৪ হাজার ইভিএমের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে ৩৫ হাজার ইভিএম ব্যবহার করা হবে। অতিরিক্ত ২১ হাজার ইভিএম কোথায় ব্যবহার করা হবে? ইসির বক্তব্য অনুযায়ী ব্যাকআপ হিসেবে ৫০ শতাংশ মেশিন যদি রাখাও হয় তাহলে প্রতি কক্ষের জন্য অতিরিক্তসহ মোট ২১ হাজার ইভিএম লাগার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন আরও ১৪ হাজার ইভিএম অতিরিক্ত প্রস্তুত করে রাখছে। এটি রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটের আগেই ভোটের ফলাফল প্রস্তুত করা। এটি রহস্যজনক।’

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..