মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

দখল অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিশ্বাস কোল্ড স্টোর মালিকের সংবাদ সম্মেলন

admin
  • আপডেট টাইম : রবিবার ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৪৪৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

নাটোরের বিশ্বাস কোল্ড স্টোরেজ দখল অপচেষ্টা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্টানটির মালিক পক্ষ।

রবিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির সেড কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মালিক নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কোল্ড স্টোরেজ এর ম্যানেজার জাকির হোসেন । এ  সময় তিনি বলেন, বিশ্বাস কোল্ড স্টোরেজ ও নজরুল ইসলাম মাল্টি পারপাস কোল্ড স্টোরেজ নামে অগ্রনী ব্যাংক নাটোর শাখা ও রাজশাহীর সাহেব বাজার শাখা থেকে তিনটি ঋন নেয়া হয়। সেই ঋণ সূদসহ স্থিতি দাড়ায় ২০ কোটি ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ২৯৫ টাকা। যা তারা দিতে ব্যর্থ হলে মালিক তা বিক্রি করে বা হস্তান্তর করে সমস্ত দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। ব্যাংক এই সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সম্পত্তি ক্রয়ে আগ্রহী এস এস এ্গ্রো ট্রেড লিংক এর সাথে স্টোরেজ মালিক এবং ব্যাংকের ত্রি-পাক্ষিয় চুত্তিও করেন। তবে পরবর্তীতে এসএস এগ্রো ট্রেড তা নিতে নানা টালবাহানা করে প্রায় দেড় বছর পর বায়না স্বরুপ দেয়া টাকাও সূদসহ ফেরত নেন। তারপরই এস এস ট্রেড মালিক বিশ্বাস স্টোরেজ এর চলাচলের রাস্তা অবৈধ ভাবে বন্ধ করে দেন। এবং বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি দখল নিতে নানা অপচেষ্টা হয়রানি করে আসছে এবং মালিকানা দাবী করছে। সামনে স্টোরেজ আলু সংরক্ষণের প্রধান সময় তার আগে এসে তিনি নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং ব্যাংক স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে যোগ সাজস করে চক্রান্ত শুরু করেছেন। প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবী করেন অথচ ব্যাংক থেকে এসএস এগ্রো ট্রেডকেই বিক্রির শর্ত ভঙ্গ করায় চিঠি দিতে বলেছে।

তিনি বলেন, এই সময়ে এসে তিনি ব্যবসা না করতে পারলে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের কোন সুযোগই পাবেন না। তাই এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি চালু রাখতে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবী করেন। প্রতিষ্ঠানটিতে এলাকার প্রায় দেড়শত পরিবারের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্টোরেজ মালিক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস , সোহেল বিশ্বাসসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এস এস এগ্রো ট্রেড লিংক এর মালিক আবিদা সুলতানার স্বামী কামাল হোসেন বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার কোন ব্যক্তি বিরোধ নেই। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ব্যাংকের ঋণ খেলাফী হওয়ায় ব্যাংকের সাথে আমার ও মালিক এবং ব্যাংকের ত্রি-পাক্ষিক চুক্তি হয়। তাতে আমাকে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব হস্তান্তর করতে নির্দেশ করে। সেই মোতাবেক আমি ৭৫ লাখ বায়না দিয়েছিলাম তবে জটিলতার কারণে ফেরত পেয়েছি। কিন্তু চুক্তিমত আমি ওই প্রতিষ্ঠানের দাবীদার সেজন্য ব্যাংক বিশ্বাস স্টোর মালিককে চিঠিও দিয়েছে বলে আমি জেনেছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..