বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০৫ অপরাহ্ন

বড়াইগ্রামে নির্বাচনে বিশৃংখলা কারীদের সমুচিত শাস্তি দেয়ার হুশিয়ারী প্রশাসনের

admin
  • আপডেট টাইম : বুধবার ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭০ বার পঠিত

 নাটোর, ০৩ নভেম্বর-
মত বিনিময় সভায় প্রার্থীদেন নানা অভিযোগ ও শংকার জবাবে নাটোরের বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সে যেই হোক তার সমুচিত শাস্তি নিশ্চিত করার হুশিয়ারী দিলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। তারা বলেন নির্বাচনে কোন ধরনের বিশৃংখলা দেখা দিলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন ধরনের মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা আর হবে না। অতিরিক্ত প্রচার কেন্দ্র বা নির্বাচনী অফিস থাকলে তা গুড়িয়ে দেয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারনায় সরকারী গাড়ি ব্যবহার কেউ করলে তা বন্ধ করা হবে। আগামী ১১ নভেম্বরের নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।
সকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ মারিয়াম খাতুনের সভাপতিত্বে আইন শৃংখলা বিষয়ক এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা আইন শৃংখলার অবনতি, ভোটের দিনের নানা শংকা ও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। অনেকে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে যাওয়া ও ভোট দেয়া নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন। অনেকে আবার গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, কেন্দ্রে রোজল্ট না দেয়া ও জোর পূর্বক সিল মারারও অভিযোগ করেন। কেউ কেউ উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারী গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা চালানোর অভিযোগও তোলেন। এর জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শামিম আহমেদ বলেন, এবারের ভোট হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। এটা বাস্তবায়নে যতো জনবল ও ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন হবে তা নিয়োগ করা হবে। কোন ধরনের প্রভাব নির্বাচনে থাকবে না। ভোটাররা নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কেন্দ্রে আসবে নিজের ভোট নিজে দিয়ে চলে যাবে। এর ব্যতয় যেই করুক তাকে ছাড় দেয়া হবে না। আর কেউ অতিরিক্ত কেন্দ্র বা প্রচার অফিস করলে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে।
পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, ভোটে কেউ বিশৃংখলা করলে তার শাস্তি আমরা কি দেবো তা আপনারা ভালো করে জানেন। বিগত কয়েকটি ভোটের কথা উল্লেখ করে বলেন আমি থাকতে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভোটের দিন কেউ ব্যালট বাক্সের দিকে হাত বাড়ালে সেই হাত গুড়িয়ে দেয়া হবে। মুখে যে যাই বলুক কোন অনিয়ম করলে সে যেই হোক তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ভোট কেন্দ্রেই ভোট গণনা করে তার রেজাল্ট ঘোষনা করা হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আছলাম, বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মৃধাসহ নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান , মেম্বার ও সংরক্ষিত মেম্বার প্রার্থী, সচেতন গণ্যমান্য নাগরিক সরকারী কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
#

ইসাহাক আলী, নাটোর, ০৩ নভেম্বর-
মত বিনিময় সভায় প্রার্থীদেন নানা অভিযোগ ও শংকার জবাবে নাটোরের বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সে যেই হোক তার সমুচিত শাস্তি নিশ্চিত করার হুশিয়ারী দিলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। তারা বলেন নির্বাচনে কোন ধরনের বিশৃংখলা দেখা দিলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন ধরনের মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা আর হবে না। অতিরিক্ত প্রচার কেন্দ্র বা নির্বাচনী অফিস থাকলে তা গুড়িয়ে দেয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারনায় সরকারী গাড়ি ব্যবহার কেউ করলে তা বন্ধ করা হবে। আগামী ১১ নভেম্বরের নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।
সকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ মারিয়াম খাতুনের সভাপতিত্বে আইন শৃংখলা বিষয়ক এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা আইন শৃংখলার অবনতি, ভোটের দিনের নানা শংকা ও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। অনেকে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে যাওয়া ও ভোট দেয়া নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন। অনেকে আবার গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, কেন্দ্রে রোজল্ট না দেয়া ও জোর পূর্বক সিল মারারও অভিযোগ করেন। কেউ কেউ উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারী গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা চালানোর অভিযোগও তোলেন। এর জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শামিম আহমেদ বলেন, এবারের ভোট হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। এটা বাস্তবায়নে যতো জনবল ও ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন হবে তা নিয়োগ করা হবে। কোন ধরনের প্রভাব নির্বাচনে থাকবে না। ভোটাররা নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কেন্দ্রে আসবে নিজের ভোট নিজে দিয়ে চলে যাবে। এর ব্যতয় যেই করুক তাকে ছাড় দেয়া হবে না। আর কেউ অতিরিক্ত কেন্দ্র বা প্রচার অফিস করলে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে।
পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, ভোটে কেউ বিশৃংখলা করলে তার শাস্তি আমরা কি দেবো তা আপনারা ভালো করে জানেন। বিগত কয়েকটি ভোটের কথা উল্লেখ করে বলেন আমি থাকতে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভোটের দিন কেউ ব্যালট বাক্সের দিকে হাত বাড়ালে সেই হাত গুড়িয়ে দেয়া হবে। মুখে যে যাই বলুক কোন অনিয়ম করলে সে যেই হোক তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ভোট কেন্দ্রেই ভোট গণনা করে তার রেজাল্ট ঘোষনা করা হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আছলাম, বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মৃধাসহ নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান , মেম্বার ও সংরক্ষিত মেম্বার প্রার্থী, সচেতন গণ্যমান্য নাগরিক সরকারী কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
#

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..